Browsed by
লিখেছেন: নৈ:শব্দে নিভৃতচারী

নতুন আবিস্কার : দোলচিপাখুম ও গুল্লালিয়াখুমের গহীনে

নতুন আবিস্কার : দোলচিপাখুম ও গুল্লালিয়াখুমের গহীনে

দোলচিপাখুম ও গুল্লালিয়াখুমের গহীনে :
এই জায়গায় গিয়েছেন এমন কেউ গ্রুপে থাকলে অনুগ্রহ করে আওয়াজ দিন। আপনারা নি:সন্দেহে অনেক ভাগ্যবান। এখানে স্থানীয় বাসিন্দারাও তেমন একটা যায় না। টুরিস্ট প্লেস গুলো ঘুরতে ঘুরতে যারা বিরক্ত তারা এখানে ট্র্যাক করে দেখতে পারেন। প্রকৃতি এখানে এখনো অমলীন। কোন দূষন নাই। কোন চিপসের প্যাকেট নাই। কোন জুসের বোতল নাই! তাছাড়া ঝিরিতে প্রচুর মাছ আছে। কোনা কানায় অনেক সাপ আছে। অন্যান্য বন্য প্রাণীগুলো যার যার মতোন আছে। 

Read More Read More

ডেলং ট্যুর : মানিকগঞ্জ-টাঙ্গাইল ভ্রমণ

ডেলং ট্যুর : মানিকগঞ্জ-টাঙ্গাইল ভ্রমণ

১ দিনের ট্যুরে ঘুরে আসুন ৪টি ঐতিহাসিক স্থাপনা/ রাজবাড়ি (#মহেড়া জমিদার বাড়ি, #বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, #পাকুটিয়াজমিদার বাড়ি ও #নাগরপুর জমিদার বাড়ি)। এছাড়া রয়েছে #ধলেশ্বরী নদিতে গোসল করার সুযোগ, আর শেষ বিকালে টাঙ্গাইলের ঐতিহস্যবাহী পোড়াবাড়ির #চমচম উপভোগ করার সুযোগ কে হাত ছাড়া করে? পুরো রুটের প্রাকৃতিক সৌন্দয্য বর্ণনা করার মতো ভাষা নাই। এক কথায় অসাধারণ। –
কিভাবে যাবেন:
১। যারা বাজেট ট্যুর দিতে চান তাদের জন্য: ঢাকার গাবতলী থেকে পাটুরিয়া – আরিচা বা মানিকগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বাসে চড়ে মানিকগঞ্জের ৮ কিমি আগেই সাটুরিয়া বাসস্টপে নেমে যাবেন। ভাড়া লাগবে ৩৫-৪০ টাকা। সাটুরিয়া বাসস্টপে থেকে ১২ কিমি দূরে এই বালিয়াটি জমিদার বাড়ির অবস্থান। সাটুরিয়া থেকে পাকুটিয়াগামী রাস্তায় সাটুরিয়ার জিরো পয়েন্টে নামতে হবে। এখান থেকে মাত্র ১ কি.মি এর কম দূরত্ব বালিয়াটি জমিদার বাড়ির। বালিয়াটি জমিদার বাড়ির পর পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি যেতে হবে লোকাল সিএনজি / বাস করে। একই ভাবে নাগরপুর জমিদার বাড়ি। তারপর টাঙ্গাইল শহরে এসে গোপালের চমচম খাবেন। টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামি বাসে অথবা লোকাল যানবাহন করে নটিয়াপাড়া বাসষ্ট্যান্ডে নামবেন। বাসষ্ট্যান্ডেই মহেড়া জমিদার বাড়ি ( পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) যাবার লোকাল সিএনজি পাবেন। ভাড়া ৭৫ টাকা। শেয়ারে গেলে প্রতিজন ১৫ টাকা।
২। যারা আরামে যেতে চান তাদের জন্য: মাইক্রোবাস/ প্রাইভেট কার নিয়ে উপরের রুট ধরে চলে যাবেন।
৩। যারা প্রকৃতি দেখতে দেখতে হাওয়ায় চুল মন উড়িয়ে যেতে চান তাদের জন্য:
আপনারা মোটরসাইকেল করে দল বেঁধে উপরের রুট ধরে চলে যাবেন।
টিকেট সংক্রান্ত তথ্য:
বালিয়াটি জমিদার বাড়ির প্রবেশ টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। মহেড়া জমিদার বাড়ির প্রবেশ টিকেটের মূল্য ৮০ টাকা। অন্যান্য জমিদারবাড়ি গুলোর কোন প্রবেশ মূল্য নাই।
*** বালিয়াটি রবিবার বন্ধ। সোমবার আধা বেলা বন্ধ।
খাবার দাবার:
সকালের নাস্তা খেতে পারেন সাটুরিয়াতে। দুপুরের খাবার নাগরপুর বাজার অথবা টাঙ্গাইলে। পোড়াবাড়ির চমচম টাঙ্গাইল শহরে গোপালে খেতে পারেন। অন্যান্য জায়গায় ভালো নাও পেতে পারেন। বিকালে হালকা খাবার মহেড়া জমিদার বাড়িতে সেরে নিতে পারেন।
#রিসোর্স:
ইউটিউব : https://youtu.be/MOF0eUlQd5A
শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন, ২০১৭

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন, ২০১৭

= ১ = 
এ বছর দুস্থ্ ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র / কম্বল বিতরন করা নিয়ে আমরা দো-টানায় ছিলাম। উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরন করবো নাকি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জে করবো। পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, যদি সবার কাছ থেকে টাকা উঠাতে পারি তাহলে কমচে’ কম ২ লাখ টাকার কালেকশন হলে আমরা রোহিঙ্গাদের মাঝে শীতবস্ত্র / কম্বল বিতরন করবো। কারন অল্প পরিমান কম্বল/ শীতবস্ত্র নিয়ে সেখানে যাওয়াটা অমানবিক হবে। কিন্তু বরাবরের মতোই আমরা তেমন সাড়া পাইনি। যার কারনে থার্ডআই এর ফান্ড থেকে ৫০,০০০ টাকা এবং সুদূর প্রবাস থেকে মামুন ভাই এর ১০,০০০ টাকা আর স্থানীয় এক বড় ভাইয়ের (রেজাউল ভাই) কাছ থেকে পাওয়া ৫,০০০ টাকা নিয়ে আমরা আপদকালীন ফান্ড গঠন করি। সর্ব সম্মতিক্রমে আমরা ঠাকুরগাঁও এর পীরগঞ্জ ইউনিয়নে কম্বল বিতরনে সম্মত হই।
= ২ =  
আমরা ১৬ জানুয়ারীতে প্রায় ৪৫,০০০ টাকা দিয়ে ২৪১ টা কম্বল ক্রয় করি। রাতে আমরা থার্ডআই এর ৬ জন সদস্য ঠাকুরগাও এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করি। সেখানে পৌঁছাতে প্রায় সকাল ৯.০০ টা বেজে যায়। আমাদের রিসিভ করেন রানা আঙ্কেল। তিনিই মূলত: ঠাকুরগাঁও এর সমস্ত কাজে আমাদের সহযোগিতা করেন। যে সহযোগিতায় কোন স্বার্থ ছিলো না, ছিলো মানবতা। তিনি ব্যক্তিগতভাবে তার এলাকার মানুষের জন্য কিছু করার যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। আমরা ৬ জন তার বাসায় আতিথেয়তা গ্রহণ করি। হালকা নাস্তা সেরে আমরা টোকেন বিতরনের জন্য বেরিয়ে পড়ি।
= ৩ =
১৭ তারিখ সকালের নাস্তা সেরে আমি টোকেন ঠিকঠাক করে পুরো দলকে দুটো টীমে (টীম 1, টীম 2) ভাগ করি। সমান সংখ্যক টোকেন নিয়ে আমরা ভোমরাদহ ইউনিয়নের দুই দিকে চলে যাই। এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যার নাম মোবাইল নেটওয়ার্ক। বিদ্যুত কখন চলে যায় কখন আসে সেটা বুঝা মুশকিল। গ্রামীণের নেটওয়ার্ক এখানে মোটামুটি ভালো। এর আগের বার যখন এখানে এসেছিলাম তখন ওয়্যারলেস সেট নিয়ে এসেছিলাম। যার কারনে আমাদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা সহজ ছিলো। এবার কোন এক কারনে সেটা সম্ভব হয় নাই। এখানকার মানুষের আর্থিক অবস্থা খুবই খুবই নাজুক। চোখে না দেখলে উপলব্ধি করা যাবে না একেবারেই। ২৪১টা কম্বল কয়েক হাজার অভাবি মানুষের মাঝে বিতরন করাটা বড্ড বেমানান। তারপরেও আমরা দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর পরিবার খোঁজার জন্য সারাদিন ব্যয় করি। বিষয়টা যদি এমন হতো একটা পাড়ায় দাঁড়িয়ে মানুষকে ডাক দিলাম আর গণহারে টোকেন বিতরন করে আয়েশ করলাম, বিষয়টা এমন না। আমরা প্রথম দিন একটা টীম ১৭ মাইল হেঁটেছি। দ্বিতীয় টীম তারও চেয়ে বেশি হেঁটেছে। এমন কোন পাড়া নাই যে আমরা যাইনি। এমনও হয়েছে ১টা পাড়ায় শুধুমাত্র ১টা টোকেন দিয়েছি। প্রথম দিনে সব টোকেন দিতে পারি নাই আমরা। তাই সিদ্ধান্ত নেই পরের দিন আমরা অবশিষ্ট টোকেন বিতরন করবো।
১৮ তারিখ সকালের নাস্তা সেরে আমরা আগের মতোই ২টা টীম ভাগ হয়ে টোকেন বিতরনের জন্য কাজে নেমে পড়ি। বিকালের মধ্যে সমস্ত টোকেন বিতরন করে আমরা ফিরে আসি।

টোকেন বিতরন

টোকেন বিতরন

টোকেন বিতরন

= ৪ =
১৯ জানুয়ারী, ২০১৭ইং তারিখে আমরা ভোমরাদহ স্কুল মাঠে ২৪১টা পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা শুরু করি। টীম থার্ডআই এবং রানা আঙ্কেল সহ তার সহযোগিদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারনে খুবই সুষ্ঠুভাবে আমরা টোকেনধারী প্রত্যেকটা পরিবারকে কম্বল বিতরন করতে সমর্থ হই।

কম্বল বিতরন

কম্বল বিতরন

কম্বল বিতরন

পুরো টীম

বি:দ্র:
#রানা আঙ্কেল, মামি এবং তাদের সহযোগিদের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।
#আমরা ঠিক করেছি এক বয়স্ক বৃদ্ধার ভাঙ্গা ঘর নতুন করে তৈরি করে দেব। তিনি কুঁজো হয়ে একাই রোজগার করেন, একাই এই ভাঙ্গা ঘরে কনকনে শীতের রাতে যুদ্ধ করেন। উনার ঘরের জন্য সামান্য ফান্ডের প্রয়োজন আছে। আমি প্রত্যাশা করি, এই কাজটাও আমরা আগামি ১ / দেড় মাসের মধ্যে করে ফেলবো।
#পরিশেষে টীম থার্ডআই এর যে সকল সদস্য ভার্চুয়ালি এবং সরাসরি এ কাজে অংশ নিয়েছে তাদের সবার প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা জানাই। কিছু কাজের হিসাব নিকাশ হয় না। করা যায় না।
ইভেন্ট লিংক: https://www.facebook.com/events/1814561675435339/
নিখোঁজ শূণ্যতা

নিখোঁজ শূণ্যতা