ভাওয়াইয়া গান-- নারীর যৈবন শিমুল ফুল

নারীর যৈবন শিমুল ফুল বন্ধু,
ফুটিলে চারি ডালে,
বাতাসে ওড়াবে যৈবন রে।
যৈবন রহে না চিরকাল
বাতাসে উড়াবে যৈবনরে।

Bookmark and Share

মন তোর বাড়ি কই?

গত কিছুদিন ধরে খুব অস্থিরতার মধ্যে আছি। কিচ্ছু ভাল্লাগে না। কিচ্ছু করতে ইচ্ছা করে না।
মুভ্যি দেখলাম কাল প্রায় সাররাত জেগে ৪টা। সব-ই হলিউডি, মারমার কাটকাট। মনের তেমন কোন উন্নতি হয় নাই। কিচ্ছু ঘটে নাই মনের আস্তানায়। তবে, এখন এই অফিস টাইমে দুচোখ জুড়ে ঘুম নেমে যাচ্ছে। আমি চেষ্টার পর চেষ্টা করে যাচ্ছি দুই পাতা এক করে রাখতে!

লেখাটা লেখার মাঝখানে খবর পেলাম রাসেল ডাক্তারি পাশ করে ফেলেছে! মহা খবর আমাদের জন্য। পর পর দুইবার ডিগবাজি দেবার পর রেজাল্টটা শালায় বের করতে পারছে। কিন্তু ছ'টায় যে কোলাহলের আয়োজন করা হয়েছে সেখানে আমি ঠিক কতটা ঠিক থাকতে পারবো!!!?

যাক, এখনকার এলোমেলো চিন্তাগুলোর নিহত হবার আগ পর্যন্ত ব্লগ লিখবো... বলে ঠিক করেছি।

Bookmark and Share

একশ’ মাইল... শেষ হতে এখনো যে ঢেড় বাকি!

এত খুড়োখুড়ি করি সারাক্ষন তবু খুব বেশি দূর যেতে পারিনা। হোঁচট খেয়ে দমে যাই। ইচ্ছে করে না তোমায় জানতে। চুলের গন্ধ নিতে। তোমার মুখচ্ছবি অনুভবে আটকে রাখতে। কত গভীরতা তোমার? আমার মাইলের পর মাইল শূণ্যতা পারেনা আমাকে তোমার চেতনার আরো কাছাকাছি নিয়ে যেতে।

তুমি বলো- তোমার কোনটা প্রয়োজন, অনুভব না অনুভূতি। জৈবিক চাহিদা না আমার ভেতরের চেতনা?
আমার ভাবনারা অবাক বিস্ময়ে জমে যায়। আমি বাকশক্তি হারিয়ে তোমার দিকে চেয়ে রই। জবাব দিতে পারিনা কোন কিছুরই। আমিতো জানি, উত্তর আমি যা-ই দেই না কেন, জবাব তোমার নিজের মতো করে তৈরি করা। চোখ সরু আর নাকটা শিকারি বাঘের মত করে বলবে- তোমরা ছেলেরা কেবল মেয়েদের ঐ ব্যাপারটাই মুখ্য ভাবো। সব ছেলে এক।

প্রতিটি সকাল নতুন করে শুরু করি। যেন একটা বুড়ো নবজাতক স্মৃতির সমস্ত স্টোরেজ খালি করে জেগে উঠলো। এক ঘেয়ে ব্যস্ত মাইল পাড়ি দিয়ে আমার ক্লান্ত শরীর যখন দারুন অবসাদি হয়ে চোখের অন্ধকোনে তোমার অস্তিত্ব হরন করতে ব্যস্ত হয়, ঠিক তখন তুমি তোমার কথার আঁচল বিছিয়ে আমায় আরো গভীর আবেশে ডুবিয়ে দাও। আমি টুপ করে ডুবে যাই। কেন জানিনা আমি তখন দূরের সেই নদিকে খুব কাছে পেয়ে যাই। যেন, কৈশোরে পা দেয়া কোন তরুন বসে আছে এক উচ্ছ্বল নদির ভরাট কিনারায়। এলোমেলো বেহিসেবী ঢেউ আর কুলকুল ধ্বনি যেন তাকে নিয়ে যায় নিজের স্বাধিন ভাবনা থেকে লক্ষ মাইল দূরে। যখন মোহগ্রস্থ হয়ে পড়ি এসব আমুদে ভাব আবেশে, ঠিক তখুনি তুমি আমায় ফিরিয়ে দিয়ে যাও অসহনীয় নরক যন্ত্রণা। চেতনার সমস্ত রং নিমিষেই হারিয়ে যায়। আমি তোমার এ অসাধারণ উপহারে বয়সী মানুষের মতো নির্জিব হয়ে যাই। চুপচাপ খুব যত্ন করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি। বুঝতে দিতে চাইনা কাউকেই, আমি হাল ছেড়ে দিতে জানি।

তুমি বেশ বুঝতে পারো, আমি কতদূর গেলে দুর্বল হয়ে পড়ি। এর আগে আমি নিজেও জানতে পারিনি ঠিক কতদূর এগিয়ে গেলে আমার পক্ষে দূর্বল হওয়া সম্ভব।

মাকড়শার জীবন-বৈচিত্র অদ্ভুত লোমহষ্যক। সহবাসের পর মিষ্টার মাকড়শাকে মিসেস মাকড়শা খেয়ে ফেলে। বাচ্চা প্রসবের পর মিসেস মাকড়শার মৃত্যু হয়। তারপর তাকে গোগ্রাসে হজম করে সন্তানেরা। আমার ভাবনাগুলোর অবস্থা ঠিক মাকড়শার মত। তারা সব জেনেও সহবাসে প্রলুব্ধ হয়। একদিন বড় বড় ভাবনাগুলো বিলীন হয়ে যায়। জীবিত ভাবনাকণাগুলো আমার চেতনার চারপাশ পাক খেতে থাকে। তারা স্থির না। তাদের বোঝা যায় না। তারা যেন ঠিক তোমারই অনুরূপ। নিশ্বাসের কাছাকাছি এসে কোথায় যেন তলিয়ে যায়। আমার ১০০ মাইলের স্বপ্ন চোখের সামনে থেকে হারিয়ে যায়। পাড়ি দিতে  পারিনা দু কদম সমস্ত ইচ্ছেকে এক করে।

আমাদের কোথাও থেমে যাওয়া উচিত।
এখুনি।

একদিন, মৌসুমি ভৌমিক শুনে হয়তো কাঁদবে তুমি। একলা পাখির মত দারুন অভিমানী হয়ে ডায়াল করবে স্মৃতির কোষে জমে থাকা নাম্বারগুলো। একবার, দুইবার, বার বার। উত্তর দিবেনা কেউই। পৌছানো যাবে না যেখানে তুমি পৌছুতে চাও।

শত ব্যস্ততার মাঝে মনে পড়ে যাবে-  কিছু স্মৃতি কথা, ঝাউবনের জমানো কুয়াশা, শাপলা পুকুরের মৃদু রৌদ, তুরাগের বুকে তোমার হাতের ছোঁয়া, ঠোঁটের কোনে জমানো  অদ্ভুত যন্ত্রণা... । তবু, বুঝতে দিতে চাইনা তোমায়- এমন গভীর দীর্ঘ নিশ্বাস, আমিও ছাড়তে জানি। সময় আমায় এত বড় এক প্রতারক বানিয়ে দিয়েছে যে আমি সব বুঝে, সব অনুভব করেও এক পা এগুতে পারিনা। একশ’ মাইল... শেষ হতে এখনো যে ঢেড় বাকি।

Bookmark and Share

ভুল -- তারাপদ রায়

কোনটা যে চন্দ্রমল্লিকার ফুল
আর কোনতা যে সূর্যমুখী --
বারবার দেখেও
আমার ভুল হয়ে যায়,
আমি আলাদা করতে পারি না৷

ওলকপি এবং শালগম,
মৃগেলের বাচ্চা এবং বাটামাছ,
মানুষ এবং মানুষের মত মানুষ --
বারবার দেখেও
আমার ভুল হয়ে যায়,
আমি আলাদা করতে পারি না৷

বই এবং পড়ার মত বই,
স্বপ্ন এবং দেখার মত স্বপ্ন,
কবিতা এবং কবিতার মত কবিতা,
বারবার দেখেও
আমার ভুল হয়ে যায়,
আমি আলাদা করতে পারি না৷

Bookmark and Share

অনন্ত জীবন যদি -- জীবনানন্দ দাশ

অনন্ত জীবন যদি পাই আমি - তাহ'লে অনন্তকাল একা
পৃথিবীর পথে আমি ফিরি যদি দেখিব সবুজ ঘাস
ফুটে উঠে - দেখিব হলুদ ঘাস ঝরে যায় - দেখিব আকাশ
শাদা হয়ে উঠে ভোরে - ছেঁড়া মুনিয়ার মত রাঙা রক্ত - রেখা
লেগে থাকে বুকে তার সন্ধ্যায় - বারবার নক্ষত্রের দেখা
পাব আমি; দেখিব অচেনা নারী আলগা খোঁপার ফাঁস
খুলে ফেলে চলে যায় - মুখে তার নাই আহা গোধূলির নরম আভাস।

অনন্ত জীবন যদি পাই আমি - তাহ'লে অসীমকাল একা
পৃথিবীর পথে যদি ফিরি আমি - ট্রাম বাস ধুলো
দেখিব অনেক আমি - দেখিব অনেকগুলো
বস্তি, হাট - এঁদো গলি, ভাঙ্গা কলকী হাড়ী
মারামারি, গালাগালি, ট্যারা চোখ, পচা চিংড়ি - কত কি দেখিব নাহি লেখা
তবুও তোমার সাথে অনন্তকালেও আর হবে নাকো' দেখা।

Bookmark and Share

বেঁচে আছি

অনেক দিন পর ব্লগে ফিরে আসলাম। মানসিক অস্থিরতা, পারিবারিক ঝামেলা, পড়াশুনার ঝামেলা মিলে গত ৪/৫ মাস খুব এবরো থেবড়ো অবস্থায় ছিলাম। এখনো সব আগের মতোই অগোছানো যদিও, তারপরও একটু একটু করে সব ঝামেলা কেটে যাচ্ছে।

নতুন করে কিছু পুরনো ঝামেলা জুটে যাচ্ছে যদিও, তারপরও, সত্যিকার অর্থে এসব উপভোগ করছি।

চট্টগ্রাম যাওয়াটা আমার জীবনের একটা টার্নিং পয়েন্ট হয়ে থাকবে।

Bookmark and Share

রাধাচূড়ায় ভরেনি যে মন

প্রায় ভাবি একটা দারুন ছবি তুলবো। যা ভেতরটাকে তুমুল ভাবে নাড়িয়ে, ঝাকিয়ে, কচলিয়ে, টেনেটুনে জাগিয়ে তুলবে। তোলা আর হয়ে ওঠে না। নানা পদের কারন জড়িত তাতে। এমন অনেক বহু মানুষ, জীব, ময়লা, মাকড়শা, তারার আলো, শালবন, জোড়া শালিক চোখের সামনে দিয়ে কেবলই পার হয়ে যায়; ছবি... আর তোলা হয়না।

সংসদ ভবনের পূর্বপাশে, খেজুর বনের ঠিক ডানে ফুটে রয়েছে অজস্র বনোফুল। লক্ষ লক্ষ, কিংবা কোটি। ধবধবে সাদা, অনেকটা কাশফুলের মতো। তবে, এরা ঠিক কাশফুল না। পড়ন্ত বিকেলে এদের দিকে তাকালে পৃথিবীর সব কষ্টকে ভুলে যেতে ইচ্ছে করে। আজকের দিনটা অনেকটাই আলাদা। অনেক কারনে। আজ আবার সাদা সাগরের পেছনে ঝুলে আছে অসাধারণ এক সূর্য্য। অদ্ভুত এক রঙের কারনে একে অসাধারণ লাগছে। সূর্য্য শব্দ উচ্চারন করলে আমাদের চোখের সামনে একটা দারুন লাল রঙ ভেসে উঠে, কিংবা কুসুম লাল। সেই সূর্য্য আর এই সূর্য্য এক না। আজকের সুরোজের রঙ হলদেটে। হলুদ সূর্য্য...!

দিনগুলো কেমন সহজে, অবলীলায়, সব ছেড়ে ছুড়ে ছন্নছাড়া হয়ে চলে যায়...। এক, একটা দিন, কতো বৈচিত্রময়! কতো হৃদয়হীন! কতো যে নিরাসক্ত!

Bookmark and Share


 
  • শূণ্য মানুষের কথা

    হাবিজাবি লিখবো আরকি। মন যা চায়। টুকটাক সময় বের করতে পারি যদি, লিখবো। তোমার জন্য। আমার জন্য। মানুষের জন্য। ঝরাপাতা গুলোর জন্য। সবকিছুর জন্য।  

  • ভিডিও ছবি

  • বিভাগ সমূহ

  • আমার ফটোবাজি

    A photo on Flickr
    A photo on Flickr
    A photo on Flickr
    A photo on Flickr
  • তারিখ অনুযায়ী লেখা

    March 2010
    M T W T F S S
    « Feb    
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728
    293031